প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া দুই শতক জমিসহ ঘর পেয়ে বদলে গেছে ঝালকাঠি জেলার ২১০১টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের জীবনযাত্রা। ভাগ্য বদলেছে বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হওয়ায়। ঘরের সামনের খোলা জায়গায় কেউ করছেন পশু পালন, কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসা, কেউ বা কৃষি কাজ করে হয়েছেন স্বনির্ভর। স্বস্তির জীবন পেয়ে খুশি এসব ছিন্নমূল মানুষ।
দরিদ্র এই মানুষগুলোর একসময় ছিল না নিজস্ব কোনো স্থায়ী ঠিকানা। খাস জমি কিংবা অন্যের জমিতে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করতেন তারা।
ঝালকাঠিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বদলে দিয়েছে তাদের জীবন। এখন ঘর ও ভূমি পেয়ে স্বাবলম্বী হতে শিখছে এসব মানুষ। খালি জমিতে বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করেন তারা।
গবাদিপশু পালন করে অনেকেই সৃষ্টি করেছেন তাদের আয়ের উৎস। অনেকে গুচ্ছগ্রামেই দিয়েছেন দোকান। এটিই এখন ছিন্নমূল মানুষের এক খণ্ড শান্তির নীড়।
আগে সন্তানকে লেখাপড়া করানোর চিন্তাও যেন ছিলো বিলাসিতা। এখন স্কুলে যায় গুচ্ছগ্রামের প্রতিটি শিশু।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপকারভোগীদের প্রতিটি ক্ষেত্রেই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকুন নাহার বলেন, তাদের খাদ্য, পুষ্টি এবং অর্থনৈতিক কোনো চাহিদাই যেন অপূর্ণ না থাকে, সে জন্য বর্তমান সরকারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।
জেলা প্রশাসক বলছেন, পর্যায়ক্রমে আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপকারভোগীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম বলেন, এখন তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের পাশাপাশি সচ্ছল এবং স্বাবলম্বী। তাদের চোখে মুখে এখন তৃপ্তি
ঝালকাঠিতে চার পর্যায়ে ২১০১টি পরিবার পেয়েছে জমিসহ ঘর।
একাত্তর/আরবিএস
এক ছাতার নিচে আসছে চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক সকল কার্যক্রম