পটুয়াখালীর দুমকিতে জুলাই শহীদ কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক আসামি এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ নিয়ে ওই মামলায় সব আসামিকেই (তিন) গ্রেপ্তার হলো।
রোববার (১১ মে) বিকেল পাঁচটায় বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই তরুণের নাম ইমরান মুন্সি (১৮)।
পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জসিম উদ্দিন জানান, ইমরানকে আদালতে পাঠানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। এর আগে গ্রেপ্তার দুই আসামি সাকিব মুন্সি ও সিফাত মুন্সি যশোর কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে।
তিনি জানান, ইমরানের নাম প্রথমে এজাহারে ছিলো না। পুলিশের তদন্তে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে তার নাম যোগ করেন।
এদিকে ইমরানের গ্রেপ্তারের খবরে পর ভিকটিম লামিয়ার মা রুমা বেগম অপরাধীর ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ জসিম উদ্দিনের কন্যা পটুয়াখালীর দুমকির আলোচিত (লামিয়া আক্তারকে) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গত ছয় মে তিন কিশোরের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন দুমকি থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।
১৮ মার্চ বাবার কবর জিয়ারত করে দাদাবাড়ি থেকে নানাবাড়ি যাওয়ার পথে দুমকি উপজেলার নলদোয়ানী গ্রামে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় লামিয়া আক্তার। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদি হয়ে দুই জনকে আসামি করে দুমকি থানায় পরদিন ১৯ মার্চ মামলা দায়ের করেন। পরে এজাহারভুক্ত শাকিব মুন্সি ও সিফাত মুন্সি নামের দুই কিশোরকে আইনের আওতায় এনে যশোর শিশু সংশোধনাগারে পাঠায় পুলিশ।
মামলার তদন্ত চলাকালে গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর আদাবর থানার শেখেরটেক এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার জানায়, মানসিক চাপ ও হতাশায় সে আত্মহত্যা করেছে।
পরদিন ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে তার বাবা জুলাই আন্দোলনের শহীদ জসিম হাওলাদারের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
গত বছরের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ১০ দিন পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জসিম উদ্দিন হাওলাদার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বজ্রপাতে চার মৃত্যু