নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক এজেন্টকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার মধ্যরাতের দিকে উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামে নিহতের ঘরের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত শাহিদুজ্জামান পলাশ ওজি (৩৫) ওই গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। গত ৫ বছর আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসে পলাশ। পুনরায় ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।
সদ্য শেষ হওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিকের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন পলাশ। নির্বাচনের দিন একটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, পলাশ স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তার নিজের বাড়িতে একটি মুরগির খামার ছিলো, যা তিনি নিজেই দেখাশুনা করতেন। সবশেষ শনিবার বিকেলে কিছু মুরগি বিক্রি করার পর খামারে কর্মরত দুই কর্মচারী সন্ধ্যায় চলে গেলে পলাশ একাই ওই খামারে ছিলেন।
নিহতের স্ত্রী জানান, রাত ৮টার দিকে তার সাথে মোবাইলে কথা হয় পলাশের। তখন খামার থেকে একটি হাঁস পার্টিতে গিয়ে রাতে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান তিনি। এরপর রাত ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন ঘরের পাশে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার মাথায় ভারি কোনো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিলো। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
তবে এ হত্যাকাণ্ড নির্বাচনী সহিংসতা নাকি অন্য কোনো কারণে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ বা স্থানীয় লোকজন।
ঈগল সমর্থক উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যানকে কিল-ঘুষি, ভিডিও ভাইরাল