সেন্টমার্টিনে চিকিৎসার অভাবে চরম দুর্ভোগে আছেন বাসিন্দারা। সাধারণ জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হলেও আঁতকে উঠছেন তারা। কারণ জরুরি প্রয়োজনে দ্বীপ ছাড়ার কোনো উপায় নেই। এ অবস্থায় জরুরিভিত্তিতে ‘সি অ্যাম্বুলেন্স’ চালুর দাবি তাদের।
সাগরের মাঝখানে বসবাস সেন্টমার্টিনের ১০ হাজার মানুষের। এই বিশাল সাগর দ্বীপবাসীর উপার্জনের অন্যতম উৎস হলেও সব সময় সাগরের আচরণ দ্বীপ বাসীর পক্ষে থাকে না।
মুহূর্তেই রঙ পাল্টে সেন্টমার্টিনের মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখে বঙ্গোপসাগর। তখন নারিকেল জিনজিরার মানুষের সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় চিকিৎসা নিয়ে। জরুরি চিকিৎসা নিতে দ্বীপ ছাড়তে পারেন না কেউই।
স্থানীয়রা জানান, রাতে কেউ অসুস্থ হলে তারা হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা পান না।
দ্বীপের বাসিন্দাদের অভিযোগ, উত্তাল সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ট্রলারে মৃত্যু হয়েছে অনেক স্বজনের। আবার অনেকে কোথাও না যেতে পেরে চিকিৎসার অভাবে দ্বীপেই মারা গেছেন।

তাদের অভিযোগ, সেন্টমার্টিনের ২০ শয্যার হাসপাতালটির কাঠামো ভালো হলেও চিকিৎসক থাকেন না। আর চিকিৎসক পেলেও চিকিৎসা সেবা উন্নত নয়। তাই এই দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে প্রয়োজন ‘সি অ্যাম্বুলেন্স’ চালু।
সেন্টমার্টিনবাসীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘সি অ্যাম্বুলেন্স’ চালুর দাবি পক্ষে মত দিয়েছেন স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরাও।
সেন্টমার্টিন উপ-স্বাস্থ্য ক্লিনিকের মেডিকেল অফিসার ডা. নাইমুর রহমান বলেন, এখানে অনেক কমতি আছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগীর যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না করতে পারলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। তাই ‘সি অ্যাম্বুলেন্স’ থাকাটা জরুরি।
প্রিপেইড মিটার: টাকা কাটে কেন জানে না গ্রাহক