কুমিল্লায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি পক্ষ থেকে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ১৮ হাজার পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে উপজেলা কনকাপৈত ইউনিয়নের সবগুলো গ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার কয়েকটি গ্রামে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপজেলার কৃতি সন্তান মো. মোস্তফা কামালের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রীগুলো বিতরণ করা হয়।
এই কার্যক্রম দেখাশোনা করছেন কনকাপৈত আলহাজ্ব নূর মিয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহিব উল্লাহ ও কনকাপৈত ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার।
স্থানীয়রা জানান, গত ২১ আগস্ট রাতের ভারী বর্ষণ ও উজানের পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কনকাপৈত ইউনিয়নের সব গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। পরদিন মেঘনা গ্রুপ থেকে বানভাসিদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। কনকাপৈত আলহাজ্ব নূর মিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে শুকনো খাবারগুলো ট্রাক্টর ভর্তি করে প্রত্যেক গ্রামের সামাজিক ব্যক্তিবর্গের কাজে হস্তান্তর করা হয়। তারা সেই খাবার দুর্গত মানুষের মধ্যে বিলি করেন।
বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় শনিবার থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবারও দুর্গত পরিবারের জন্য চাল, ডাল, তেল, লবণ, পেয়াজ বিতরণ করা হয়।
কনকাপৈত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার বলেন, বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দানবীর মো. মোস্তফা কামাল বানভাসিদের সেবায় তাৎক্ষণিক খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। সার্বক্ষণিক তিনি ইউনিয়নের মানুষের খোঁজখবর নিয়েছেন। আল্লাহর কাছে তার দীর্ঘ হায়াত কামনা করি।
এদিকে কুমিল্লায় বন্যার্ত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, মনোহরগঞ্জসহ ১৪ উপজেলায় পানি, বিস্কুট, পাউরুটিসহ শুকনো খাবার সামগ্রী দেওয়া হয়েছে মেঘনা গ্রুপ থেকে।
বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭১