যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে ‘মর্মাহত’ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় কিশোরগঞ্জে ছাত্রলীগের সাত নেতাকে সংগঠনের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
তাদেরকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ। এছাড়া ফেসবুকে পোস্ট দেয়া আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ‘সাঈদী প্রীতির’ অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উমান খানের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানা গেছে।
আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন বলেন, অব্যাহতি পাওয়া নেতারা সংগঠনের নীতি-আদর্শ ও সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত তা প্রমাণ হয়েছে।কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি পেলে তাদেরকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।
‘আরও কয়েকজনের নামে যুদ্ধাপরাধী সাঈদী প্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’
অব্যাহতি পাওয়া নেতারা হলেন- কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের তিন সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সবুজ, রাকিব চৌধুরী ও ওয়াসিম খান এবং একই শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নাহিদ হাসান।
পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন কমিটির সহসভাপতি মো. নছির এবং বুরুদিয়া ইউনিয়ন কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব আল হাসান।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন বলেন, যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মৃত্যুর পর ওই সাত নেতার ফেসবুকে পোস্ট করা স্ট্যাটাস দেখে তাদেরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু দণ্ড পাওয়া সাঈদী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ আগস্ট মারা যান। এরপর সাঈদীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটি থেকে বেশ কিছু নেতাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
রোববার দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী
টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে সবজির দাম