ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সদর উপজেলায় নৌকা প্রতীকের সাতটি নির্বাচনী ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।
জেলা আওয়ামী লীগ ও নৌকা প্রার্থীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভোররাতের কোনো এক সময়ে এসব ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ বলেন, মধ্যরাত থেকে ভোররাতের মধ্যে কোনো এক সময় এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তিনি জানান, শহরের লক্ষ্মীপুর, পূর্ব খাবাসপুর, চর কমলাপুর ও ভিক্ষির স্যার এবং নোট চ্যানেল ইউনিয়নের মোট সাতটি ক্যাম্পে আগুন দেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ইশতিয়াক আরিফ।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দ্বীনদার হুসাইন জানান, সংবাদ পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই আসনে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবসায়ী একে আজাদ। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে আজাদসহ ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আজাদ ছাড়া অব্যাহতি পাওয়া অন্যরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, মনিরুল হাসান মিঠু, আবুল বাতিন ও শহিদুল ইসলাম নিরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী জাহিদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি মাসুদ, কোষাধ্যক্ষ যশোদা জীবন দেবনাথ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য খলিফা কামাল উদ্দিন ও শাহ আলম মুকুল।
ফরিদপুর-৩ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৪ হাজার ৩১১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২ হাজার ৭৭৫ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ এক হাজার ৫৩৩ জন। তিনজন হিজড়া ভোটারও রয়েছেন এ আসনে।
এ আসনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। আব্দুল কাদের আজাদ ওরফে এ কে আজাদ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। তিনি ফরিদপুর-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়ছেন।
শামীম ও এ কে আজাদ ছাড়াও চারজন প্রার্থী রয়েছেন এ আসনে। তারা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসের মুঈদ হোসেন (ডাব), জাতীয় পার্টির ইয়াহিয়া (লাঙল), জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএমের গোলাম রাব্বানী খাঁন (নোঙর) ও বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির দেলোয়ার হোসেন (একতারা)।
প্রকাশ্যে নির্বাচনে বাধা দিচ্ছে বিএনপি: কাদের 