একাধিক ধর্ষণে অভিযুক্ত টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে দলটি। তাকে চূড়ান্ত অব্যাহতির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
গত ৭ এপ্রিল টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সভাডপতি সিরাজুল হক আলমগীর ও সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ দলের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে লেখা হয়, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে দলীয় ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে এবং এ কারণে টাঙ্গাইলের সাধারণ জনগণ দলের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করছে।
“এমতাবস্থায় টাঙ্গাইল জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে দলের বৃহত্তর স্বার্থে এবং সুনাম ও ভাবমূর্তি বজায় রাখার নিমিত্তে গোলাম কিবরিয়া বড় মনিকে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হলো এবং চূড়ান্ত অব্যাহতি প্রদানের জন্য আপনার নিকট সুপারিশ করা হলো।”
দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পরামর্শ ও নির্দেশে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগ বড় মনিরকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

গোলাম কিবরিয়া বড় মনির টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের ভাই। গোলাম কিবরিয়ার বড় মনির বিরুদ্ধে ঢাকার তুরাগ থানায় চলতি বছরের ২৯ মার্চ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন এক নারী।
ধর্ষণের কারণে এর আগেও সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন বড়মনির। ২০২৩ সালে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। আদালতের নির্দেশে সেই নারী ও জন্ম দেয়া শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। তখন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারও হয় বড় মনির। কিন্তু কারাগার থেকে বের হবার কদিন পরেই ধর্ষণ মামলার বাদীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভুক্তভোগীর বোনের দাবি, এই ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত বড় মনির।
বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।
অভিযান চললেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই বড় মনির