ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়েছেন ফুটবল মাঠের সফল স্ট্রাইকার সালাম মুর্শেদী। খুলনা-৪ আসনে নৌকার এই প্রার্থীর প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্তজা রশিদী দারা।
রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন বাতিল হলেও উচ্চ আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তিনি। এজন্য কিছুটা দেরিতে প্রচারে নামলেও নৌকার সাথে সমান টক্কর দিচ্ছেন মোর্তজা রশিদী দারা।
এক সময় ফুটবল পায়ে মাঠ কাঁপানো স্ট্রাইকার সালাম মুর্শেদী এবার নৌকা নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনের মাঠ। তবে সহজে গোল দেয়ার সুযোগ নেই, মাঠে আছেন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মোর্তজা রশিদী দারা।
তেরখাদা, দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলা নিয়ে খুলনা-৪ আসনে ২০১৮ সালে উপনির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিলেও সাধারণ নির্বাচনে বিএনপিকে হারিয়ে নির্বাচিত হন ফুটবলার থেকে শিল্পপতি হওয়া সালাম মুর্শেদী। এবারো তাকেই মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
২০১৪ সালে দশম সংস নির্বাচনে এই আসনে সংসদ সদস্য হন এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা। তার মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদে যান সালাম মুর্শেদী।
সালাম মুর্শেদীর বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলায়। নিজের জেলায় তরুণ বয়সেই পরিচিত পান ক্রীড়াবিদ হিসেবে। সত্তরের দশকে ঢাকায় আসার পর তিনি হয়ে ওঠেন ঢাকার ফুটবলের তারকা খেলোয়াড়দের একজন।
নৌকার প্রার্থী সালাম মুর্শেদী একাত্তরকে বলেন, আমি এখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শিল্প স্থাপন করবো। আমি যেই লাইনে ব্যবসা করি সেই লাইনেই গার্মেন্ট কারখানা করার প্রতিশ্রুতি শুধু নয়, আমি সেটি করবো।
এবার তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে শুরুতেই মাঠে নামেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোর্তজা রশিদী দারা। কিন্তু রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দেয় তার মনোনয়নপত্র। পরে উচ্চ আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তিনি।
সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা রশিদী সুজার ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্তজা রশিদী দারা বলেন, এ অঞ্চলের সমস্ত মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। উৎসব মুখর পরিবেশে মানুষ ভোট দেবে। এমন একটি অবস্থায় আমাদের বর্তমান সংসদ সদস্য হুমকি দিচ্ছে।
এরই মধ্যে ভোটের মাঠ জমজমাট করে তুলেছেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। ভোটাররা বলছেন, এলাকার উন্নয়ন ও সবার বিপদে-আপদে পাশে থাকেন এমন প্রার্থীকেই বেছে নেবেন তারা।
সাধারণ এক ভোটার বলেন, দশ বছরের মধ্যে রাস্তাঘাটে কেউ হাত দেয় না। বৃষ্টির সময় রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায়। এমপি সাহেব একবার আসলো। ভোট নিয়ে জলে গেলো।
আরেক ভোটার বলেন, ভালো কাজ করে। এলাকার পাশে থাকে এমন একজনকে আমরা চাই।
ঢাকা-১০ হবে দশে দশ: ফেরদৌস