শেরপুরে ৩শ ৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। সহকারি শিক্ষকরা কোনোভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধান শিক্ষকের কাজ। এতে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। সংকট কাটাতে সহকারি শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদন্নোতি দেয়ার কথা থাকলেও তা ঝুলে আছে বছরের পর বছর।
শেরপুর সদর উপজেলার ধলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পালন করছেন দায়িত্ব। একই অবস্থা জেলার ৭শ ৪১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩শ ৭২টিরই। কোনোটিতেই নেই প্রধান শিক্ষক।
সহকারী শিক্ষকরা জানান, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়ার ফলে পাঠদানে ঘাটতিসহ নানা জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। এছাড়া ঠিকমতো তদারকি না করায় দিন দিন শিক্ষার্থী উপস্থিতিও কমছে।
তারা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক না থাকায় তাদের অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি থাকায় এর প্রভাব গিয়ে পড়ে পাঠদানে।
সহকারি শিক্ষকরা জানান, অনেক শিক্ষক প্রধান শিক্ষক না থাকার সুযোগ নিয়ে কাজেও অবহেলা করেন। তাছাড়া ছুটি নিতে গিয়েও সমস্যায়ও পড়েন তারা।
এ বিষয়ে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ জানান, শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য এরইমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
জেলার পাঁচ উপজেলার মধ্যে সদরে ৬৯টি, নালিতাবড়ীতে ৭৩টি, ঝিনাইগাতীতে ৫৯টি, নকলায় ৬৩টি এবং শ্রীবরদী উপজেলায় ১০৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুমে মিধিলির প্রভাব, জেলেদের মাথায় হাত