নাটোরের সরকারি জিয়া খালের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ছয় জন আহত হয়েছেন।
রোববার সকালে জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাশিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর ইউনিয়নের বাশিলা গ্রামের বাসিন্দা আট নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এন্তাজ আলী (৫২), ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক (৩২), মৎস্যজীবী হাবিবুর রহান (৪৫) এবং হালতি গ্রামের মো. সেলিম (২৩, মো.উজ্জ্বল (২২), তার বোন রূপালি (২৮)।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার বাঁশিলা ও হালতি গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্পের পূর্ণখনন করা জিয়া খাল উন্মুক্ত জলাশয় হিসাবে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসী ভোগ করে আসছিলো। পাঁচ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে বাঁশিলা গ্রামবাসী হালতি বিলের বাঁশিলা মৌজার অংশ বাঁশিলা গ্রামবাসী ও মৎস্যজীবীরা মাছ শিকারের জন্য দখলে নেয়। অন্যদিকে হালতি গ্রামের অংশে দখলে নেয় হালতি গ্রামবাসী।

তারা জানান, সকালে জিয়া খালের হালতি বিল অংশে মাছ শিকারের জন্য দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি কর্মী ফলেন গ্রুপ ও বাঁশিলা গ্রামের মৎস্যজীবীর পক্ষে নলডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়া গ্রুপের কথা কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে বাঁশিলা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে খালটি পুরোপুরি দখল নিতে যায়। এতে বাধা দেয় হালতি গ্রামের লোকজন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় খালের ধারে থাকা পাহারা কক্ষ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা।এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ছয় জন আহত হয়।
নলডাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুই গ্রুপের নেতৃত্বদানকারীরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এলাকার পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বিপদে ভারত: দুলু