এক হাজার শয্যার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ’র বেড মাত্র ১০টি। তার মাঝেও যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে প্রায়ই অচল থাকে তিন-চারটি বেড। আইসিইউতে বেড না পেয়ে বাড়ছে সঙ্কটাপন্ন রোগী মৃত্যুর সংখ্যা।
নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট বা আইসিইউ’র বেড সংখ্যা বাড়িয়ে বিভাগীয় সদরের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকসহ সাধারণ মানুষ।
দেশের অন্যতম পুরোনো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে গত ১৪ মার্চ এই হাসপাতালে ভর্তি হন পীরগাছার স্কুল শিক্ষক আবদুল জলিল। তার আইসিইউ বেড দরকার হলেও সেটি ব্যবস্থা করতে পারেননি স্বজনরা, ফলে ওইদিনই মৃত্যু হয় তার।
আইসিইউ বেড সঙ্কটে রংপুর মেডিকেলে দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। অনেক সময় এক সপ্তাহ অপেক্ষা করেও আইসিইউ বেড পান না অনেক রোগী। তাই দ্রুত আইসিইউ বেড বাড়ানোর দাবি সাধারণ মানুষের।
হাসপাতালের এই দুরবস্থার কথা স্বীকার করেন খোদ আইসিইউ বিভাগের প্রধান জালাল উদ্দিন মিন্টু। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ৫০টি আইসিইউ বেড চান চিকিৎসকরা।
তিনি জানান, প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় আছে।
স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) রংপুরের সভাপতি সরওয়ার হোসেন চন্দন বলেন, প্রধানমন্ত্রী এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
আর হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানান, প্রতিদিন যত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন সে অনুযায়ী এই হাসপাতালে জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নেই।
মোহাম্মদ ইউনুস আলীর দাবি, আমরা সরকারের কাছে আইসিইউ বাড়ানোর জন্য বলেছি।
২০১৩ সালে ১০ বেডের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধনের পর প্রায় এক যুগেও আর বাড়েনি আইসিইউ বেডের সংখ্যা।
বাঁধের ফাটলে শত শত হেক্টরের ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা