খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানসহ চার শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে কুয়েট সভা কক্ষে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কমিটির সভাপতি ও কুয়েট ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আজীবন বহিষ্কার হওয়া অন্যরা হলেন, আবু হাসান আব্দুল কাইয়ুম, মো. কামরুজ্জামান রাজ্জাক, রিয়াজ খান নিলয়।
কুয়েট শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানসহ ৪৪ শিক্ষার্থী শোকজের জবাব এবং ৪৮ পৃষ্ঠার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর)খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ২৮ দিন পর ৪৮ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেনের কাছে জমা দেয় তদন্ত কমিটি।
আরও পড়ুন: কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যুতে ৪৪ শিক্ষার্থীকে শোকজ
প্রসঙ্গত, ৩০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক সেলিমের সাথে দেখা করে আসার পর বাসায় ফিরে মারা যান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক সেলিমের মৃত্যুর পর অভিযোগ ওঠে সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা তাকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।
শিক্ষক সেলিমের মৃত্যুর পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ২ ও ৩ ডিসেম্বর সিন্ডিকেটের ৭৬তম জরুরি হয়। সেখানে ৩ থেকে ১৩ ডিসেম্বর ক্যাম্পাস বন্ধ, ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যর কমিটি গঠন করা হয়।
একাত্তর/টিএ
