খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মুগ্ধ হত্যার বিচারসহ নীরিহ শিক্ষার্থীদের পুলিশ হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আযম খান কমার্স কলেজের আন্দোলন কর্মসূচিও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে খুলনা সার্কিট হাউজে খুলনা সিটি মেয়র, সংসদ সদস্য ও উপ-পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৈঠকে ১১ জন ছাত্রনেতা এবং তিন জন অভিভাবকও উপস্থিত ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে বৈঠকটি চলে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জহুরুল তানভীর বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সমন্বয়ক নেই। এখানে শিক্ষার্থীরা স্বতস্ফূর্তভাবে ব্যাচভিত্তিক এই আন্দোলন করেছে। এখানে আমরা শিক্ষকদের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছি। সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা আমাদের নানা আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ সব মৃত্যুর তদন্ত ও বিচার হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমরা শুরু থেকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করেছি। আন্দোলনের নামে যেন কোনো পক্ষ সহিংসতা না করতে পারে এ জন্য আমরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।

আযম খান কমার্স কলেজের পক্ষ থেকে আন্দোলনের সমন্বয়ক রাফসান জানি বলেন, সংসদ সদস্য আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন শান্তিপূর্ণভাবে এই আন্দোলন করার জন্য। আমরা আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।
খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম কামাল আরও জানান, খুলনায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হবে না। আর হয়ে থাকলেও প্রত্যাহার করা হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবির বিষয়ে খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।
