২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় জো বাইডেনের ছেলেকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন নামিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে স্বীকার করে নিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ।
'জো রোগান পডকাস্ট' নামের এক শোতে এ নিয়ে কথা বলেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, এফবিআই'র ভুল তথ্য নিয়ে সতর্কতার ওপর ভিত্তি করে সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।
জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের ল্যাপটপ থেকে ফাঁস হওয়া কিছু ইমেইল সম্পর্কে স্পর্শকাতর অভিযোগ তোলে নিউইয়র্ক পোস্ট, যেখানে বলা হয় ইউক্রেনে হান্টারের ব্যবসায়িক কাজে সহায়তা করছেন জো বাইডেন।
সেই প্রতিবেদনটি শেয়ার করা নিষিদ্ধ করে ফেসবুক ও টুইটার। তবে, সেন্সরশিপের অভিযোগ ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত পাল্টায় তারা।
সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গ বলেন, এ ধরণের ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া 'খুবই বাজে'।
'যা সরানো উচিৎ নয় তেমন কিছু সরিয়ে নেয়া সবচেয়ে খারাপ', বলেন তিনি।
জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে নিউইয়র্ক পোস্ট।
সেখানে দাবি করা হয়, ল্যাপটপ সারানোর দোকানে হান্টার বাইডেনের ফেলে যাওয়া ল্যাপটপে কিছু ইমেইল পেয়েছে তারা, যেখানে জো বাইডেনের সাথে ইউক্রেনের জ্বালানি ক্ষেত্রের টাইকুনদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার ব্যাপারে তথ্য ছিল।
তবে, বাইডেনের তৎকালীন শিডিউলে সেরকম কোনো বৈঠকের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমের কাছে এসব তথ্য না থাকায় নিউইয়র্ক পোস্টের সেই প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় ছিল। ফলে সেটিকে শেয়ার করা নিষিদ্ধ করে বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
আরও পড়ুন: তাইওয়ান প্রণালির কাল্পনিক মধ্যমা রেখা মুছে ফেলছে চীন
মার্ক জাকারবার্গ বলেন, তখন এফবিআই তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিল।
সেন্সরশিপের অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, সেন্সর করা হয়েছিলো কি হয়নি তা নির্ভর করে পাঠকের রাজনৈতিক মতাদর্শের ওপর। অনেকে ভাববে এটিকে বেশি সেন্সর করা হয়েছিলো, আবার অনেকেই ভাবতে পারে যথেষ্ট সেন্সর করা হয়নি।
একাত্তর/এসজে
