ব্রিটেনের প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মরদেহ বুধবার ওয়স্টেমিনস্টার হলে নেয়া হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কফিনটি সেখানে রাখা হবে। শ্রদ্ধা জানাবেন বিশ্বনেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টাই চলবে শ্রদ্ধা অনুষ্ঠান।
রানি এলিজাবেথের শবযাত্রা দেখতে এরিমধ্যে বাকিংহাম রাজপ্রাসাদ থেকে ওয়েস্টমিনিস্টার পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হতে শুরু করেছেন। বিশেষ এক শকেটে করে রানির মরদেহ নেয়ার সময় পেছনে থাকবে রাজা চার্লস এবং প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) লন্ডনে পৌঁছানোর আগে, রানির কফিন এডিনবার্গের সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রালে রাখা হয়। সেখান থেকে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের বিমানে স্কটল্যান্ড থেকে লন্ডনে আনা হয়। প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ এডিনবার্গে রানিকে সম্মান জানাতে জড়ো হয়।
রানির মরদেহ একটি সামরিক বিমানে করে লন্ডনে আনা হয়। লন্ডনের নর্থহল্ট বিমানঘাঁটিতে মরদেহ গ্রহণ করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস। ওই সময় রানির কফিনের সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে প্রিন্সেস অ্যান।
বিমানঘাঁটি থেকে বাকিংহাম প্যালেসের দূরত্ব ১৪ মাইল। পুরোটা পথের দুই ধারেই হাজারো মানুষ সমবেত হয়ে রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বাকিংহাম প্যালেসে রানির মরদেহ গ্রহণ করেন প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি।
বাকিংহাম প্যালেস লন্ডনে রানির সরকারি আবাসস্থল ও দপ্তর। এর আগে সোমবার এডিনবার্গের সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রালে রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ।
আরও পড়ুন: ভারতের গুজরাটে লিফট ছিঁড়ে সাত শ্রমিকের মৃত্যু
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে মারা যান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ৭০ বছর সিংহাসনে ছিলেন। ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় সিংহাসন অলংকৃত করেছেন তিনি।
একাত্তর/আরএ
