ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্রিটেনের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে এ পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার কথা ঘোষণা করে।
এর আগে যথাযথভাবে হিজাব না পরার কারণে পুলিশের হাতে আটক এক নারীর (মাহশা আমিনী) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরানে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সহিংসতা শুরু হয়। এতে কয়েকশ মানুষ নিহত হয়। ওই ঘটনার জেরে সোমবার ইরানের দু’টি প্রতিষ্ঠান ও ৩২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
সে সময় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছিল তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইইউ ও ব্রিটেনের সমর্থন এবং ইরানি জনগণের বিরুদ্ধ সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতা উস্কে দেয়ায় তাদের ভূমিকা থাকার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।
ইইউ’র বর্তমান ও সাবেক ১৫ জন কর্মকর্তা ও ১৩টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তেহরান।
সেইসঙ্গে আট জন ব্রিটিশ কর্মকর্তাকে এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শান্তি প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমা প্রতিশ্রুতি স্রেফ ভাওতাবাজি: পুতিনইরানের পার্সটুডে বলছে, গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় দেশটির সাম্প্রতিক সহিংসতায় আমেরিকাসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইইউ ও ব্রিটেন ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং এদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানোর পাশাপাশি ইরান পরিস্থিতির ব্যাপারে বিশ্বের সামনে ভুল তথ্য তুলে ধরছে। এছাড়া, ইরান-বিরোধী মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করার জন্যও ব্রিটেন ও ইইউকে দায়ি করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একাত্তর/আরবিএস
