অর্থনৈতিক সংকটে কঠিন সময় পার করছে পাকিস্তান। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতিও ভালো নয়। সব মিলিয়ে কঠিন বাস্তবতায় দেশটই। এরই মধ্যে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে অন্ধকারে ডুবে গেছে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নগরী হিসাবে খ্যাত করাচি।
করাচির বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, বড় ধরনের কারিগরী ক্রুটির কারণে শহরের বেশিরভাগ এলাকাতে কোন বিদ্যুৎ নেই। করাচির ৪০ শতাংশ এলাকা অন্ধকারে ডুবে গেছে।
মাল্টিপল গ্রিড স্টেশনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এই সংকট দেখা দেয়। অন্ধকারে ডুবে আছে নুমাইশ চৌরঙ্গী, সাদ্দার, লাইনস এরিয়া, ডিফেন্স হাউজিং অথরিটি, পঞ্জাব কলোনি, গুলিস্তাঁ-ই-জৌহর, কোরাঙ্গি ইত্যাদি এলাকা।
তবে এখনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে কোনও কারণের কথা শোনা যায়নি। ছাড়াও অন্ধকারে ডুবে রয়েছে উত্তর নাজিমাবাদ, নিউ করাচি, উত্তর করাচি, লিয়াকতাবাদ, ক্লিফ্টন, ওরাঙ্গি, গুলশন-ই-ইকবাল, ওল্ড সিটি এরিয়া, লান্ধি, মলির, গুলশন-ই-হাদিদ, পাক কলোনি, শাহ ফয়জল কলোনি ও মডেল কলোনির মতো বহু এলাকা।
দু’বছর আগেও বিশাল আকারের বিদ্যুৎ-বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। অন্ধকারে ডুবে যায় করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিণ্ডি, পেশোয়ার, মুলতান, কোয়েটা, ফয়সলাবাদ, মুজফফরগড়, নারোয়াল, ভাক্কার, কবিরওয়ালা, খানেওয়ালা, ভাওয়ালপুর এবং সুক্কুর-সহ দেশের ১১৪টি শহর। বিদ্যুৎসংযোগ একেবারে ছিলো না বালুচিস্তানের ২৯টি জেলায়।
ছিলো না মোবাইল ও ইন্টারনেট-সংযোগ। জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ছিলো না বিদ্যুৎ। বিশাল আকারের ওই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে জানা যায়, ৫০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন ডেসপ্যাচ কোম্পানির বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছিলো।
একাত্তর/এআর
