ভারতে শেষ পর্যন্ত সিদ্দারামাইয়াই হচ্ছেন কর্ণাটক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আর উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ডি কে শিবকুমার।
বৃহস্পতিবার দিল্লির কংগ্রেস সদরদপ্তরে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন।
এসময় তার সঙ্গে ছিলেন কর্ণাটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরযেওয়ালা।
কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর ৭৬ বছর বয়সী সিদ্দারামাইয়া বলেন, দলের পক্ষ থেকে যা বলা হয়েছে, তা আমারও মত। এর বাইরে আর কিছু বলার নেই।
শিবকুমার টুইটারে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, কর্ণাটকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত। রাজ্যবাসীর কল্যাণ আমাদের অগ্রাধিকার। তা নিশ্চিত করতে আমরা ঐক্যবদ্ধ।
বেনুগোপাল ও সুরযেওয়ালা বলেছেন, শিবকুমারই হবেন একমাত্র উপমুখ্যমন্ত্রী। তবে সেই সঙ্গে তিনি রাজ্যের সভাপতি পদেও বহাল থাকবেন।
তারা আরও বলেন, আগামী বছর লোকসভা ভোট। সেই বিবেচনায় শিবকুমারকে রাজ্যের সভাপতি পদে বহাল রাখা হচ্ছে। জয়পুরে দলের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে যদিও ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি গৃহীত হয়েছিল।
এদিকে, কর্ণাটকের ২২৪ আসনের বিধানসভায় ২১৭ জন বিধায়কই কোটিপতি, যা ৯৭ শতাংশ। কংগ্রেসের ১৩৫ বিধায়কের মধ্যে ১৩২ জনই কোটিপতি। বিজেপির ৬৬ জনের মধ্যে ৬৩ জন বিধায়ক কোটিপতি। জনতা দল (সেকুলার)-এর একজন বাদে ১৯ জনের মধ্যে সবাই কোটিপতি। বিজয়ীদের গড় সম্পত্তির পরিমাণ ৬৪.৩৯ কোটি রুপি। বিধায়কদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ এক হাজার ৪১৪ কোটি রুপি।
কর্ণাটকে ভোটের আগেই নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য দেখা যায়, নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫৮১ জনের নামে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তাদের ১২২ জন নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
আরও পড়ুন: আফগান অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হলেন মৌলভি আবদুল কবির
পরিবারতন্ত্র নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে জাতীয় কিংবা আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো। দক্ষিণের রাজ্যের ২২৪ জয়ী বিধানসভার সদস্যের মধ্যে ৪৩ জনই পারিবারিক সূত্রেই ভোটে লড়াইয়ে সুযোগ পেয়েছেন।
একাত্তর/জো
