যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক গোপনীয়তা ও সামরিক পরিকল্পনাসহ শত শত রাষ্ট্রীয় গোপনীয় নথির অব্যবস্থাপনার কারণে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা ৩৭টি অভিযোগের মধ্যে ফ্লোরিডার বাড়ির বলরুম ও ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন জায়গায় রাষ্ট্রীয় গোপনীয় নথি রাখা, তদন্তকারীদের কাছে মিথ্যা বলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। খবর: রয়টার্স।
৮৯ পৃষ্ঠার অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার বাক্সগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কর্মসূচীর, যুক্তরাষ্ট্র ও বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষা, অস্ত্র সক্ষমতা, সামরিক আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্রদের সম্ভাব্য দুর্বলতা এবং বাইরে থেকে কোনো হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার পরিকল্পনার তথ্য রেখেছিলেন।
আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে মার্কিন বিচার বিভাগের এমন অভিযোগ ট্রাম্পের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা। চলতি বছরের মার্চে নিউ ইয়র্কে তার বিরুদ্ধে চলতে থাকা আরেকটি ফৌজদারি মামলার শুনানি হওয়ার কথা।
মঙ্গলবার (১৩ জুন) মিয়ামির ফেডারেল আদালতে তাকে ডাকা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তিনি দাবি করেছেন, ‘আমি নির্দোষ।’
বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তদন্ত পরিচালনাকারী বিচার বিভাগের কর্মকর্তা জ্যাক স্মিথ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র বলেছে, দায়িত্ব ছাড়ার পরও নিজের কাছে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি রেখে দেওয়ার মামলায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সাতটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ভুয়া বিবৃতি, ষড়যন্ত্র ও বেআইনিভাবে সরকারি নথি নিজের কাছে রাখা অন্যতম বলে এক বিবৃতিতে সিএনএনকে জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্টের আইনজীবী জিম ট্রাস্টি।
আরও পড়ুন: সংস্কার না হলে মালয়েশিয়া টিকবে না: আনোয়ার ইব্রাহিম
গত বছর ট্রাম্পের কাছ থেকে অন্তত এক হাজার ৩০০ টি নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। তিনি নিজের কাছে রাখা গোপন নথির অপব্যবহার করেছেন কি না, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে বিচার বিভাগ। ২০১৭-২১ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন ট্রাম্প।
একাত্তর/জো
