ভারতে টানেল দুর্ঘটনায় আটকে পড়া ৪০ শ্রমিককে ১২০ ঘণ্টা পরেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নতুন যন্ত্র দিয়ে উত্তর কাশীর নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এনডিটিভির খবর।
এর আগে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে দিল্লি থেকে ঘটনাস্থলে উড়িয়ে আনা হয় ‘আমেরিকান অগার’ নামে ২৫ টন ওজনের ওই খনন-যন্ত্র। সব কটি খণ্ড সিল্কিয়ারার বিপর্যয়স্থলে পৌঁছানোর পরে জোড়া শুরু হয়। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিংহের উপস্থিতিতে শুরু হয় ধ্বংসস্তূপ খনন।
সিল্কিয়ারা থেকে বারকোটের মধ্যে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের একাংশ ধসে রোববার সকাল থেকে আটকে রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক।
সুড়ঙ্গে অক্সিজেন পাঠানোর সরু পাইপ দিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় রসদ পাঠানোর পাশাপাশি ওই পাইপ দিয়েই তাদের সঙ্গে কথা বলছেন পরিজন ও কর্মকর্তারা। তাদের মনোবল অটুট রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসার দরকার পড়বে। তাদের রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের ভারসাম্য ঠিক না-ও থাকতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মাটির নিচে ঠান্ডায় থাকার ফলে বেরিয়ে আসার পরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অপ্রস্তুত হয়ে পড়তে পারে তাদের শরীর। সুড়ঙ্গের কাছেই চিকিৎসা কাঠামো তৈরি রাখা হয়েছে।
