হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের প্রথম দোষী সাব্যস্ত

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ০৯:০২ এএম

হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুইটি অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে আদালত। এ আইনে শাস্তি পাওয়া প্রথম ব্যক্তি হবে তিনি। 

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) টং ইং কিত নামের ওই ২৪ বছর বয়সী যুবককে দোষী সাব্যস্ত করে দেশটির আদালত। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) তার শাস্তি নির্ধারণ করা হবে। আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

টং ইং কিতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত বছর আন্দোলনের সময় একদল পুলিশের উপর মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেওয়ার অপরাধে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়।  

এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ওই আন্দোলনের সময় সরকার বিরোধী স্লোগানযুক্ত ব্যানার বহন করছিলেন। 

ওই ব্যানারে লেখা ছিল, 'হংকং স্বাধীন করো। এ যুগের বিপ্লব'। এ স্লোগানের পটভূমি আর অর্থ নিয়ে আদালতে ব্যাপক আলোচনা হয়। 

আরও পড়ুন: ভারতে দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্যে গোলাগুলিতে পাঁচজন নিহত

অবশেষে ১৫ দিনের ট্রায়াল শেষে টংকে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারক প্যানেল। তারা বলেন, ওই স্লোগান দিয়ে টং বিচ্ছিন্নতাবাদকে উসকে দিয়েছেন।

হংকংয়ের শাসককর্তৃক নির্বাচিত তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল টংয়ের বিচার করেন। গত বছরের জুনে কার্যকর হওয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে এটি প্রথম বিচারকাজ। সামনের দিনগুলোতে এই আইনের প্রয়োগ আর ব্যাখ্যা কীরকম হতে পারে তার লিটমাস টেস্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে এই মামলাকে। 

জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী, ধ্বংসাত্মক, সন্ত্রাসবাদী অথবা বিদেশিদের সাথে যোগসাজশমূলক কার্যক্রমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে, এসব অপরাধের সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্কিত হয়েছে এ আইন ও হংকং সরকার। 


ছবি: গার্ডিয়ান

একাত্তর/এসজে 


হংকংয়ের একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় নতুন করে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে তিনজনসহ এ নিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করলো দেশটির দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
চীনের হংকংয়ে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮ জনে পৌঁছেছে। গত বুধবারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। 
হংকংয়ের তাই পো এলাকার ওয়াং ফুক কোর্ট আবাসিক কমপ্লেক্সে সংঘটিত ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ হয়েছে এবং ৭০ জনেরও বেশি বাসিন্দা আহত হয়েছেন। গত কয়েক দশকে হংকংয়ে এটি অন্যতম প্রাণঘাতী আগুন দুর্ঘটনা।
হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলীয় তাই পো জেলার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার যে স্বাধীনতা আছে, বাকস্বাধীনতা আছে, সেটা অব্যাহত থাকবে। এখন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে।
বিএনপি ফটোসেশনের রাজনীতি করে না। ফটো শো’র রাজনীতিও করে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন গাজী নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, এ দেশে যারা বসবাস করেন তারা সবাই এবং সব ধর্মের...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর