অবশেষে পথকুকুর বিতর্কে বক্তব্য দিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৫, ০৬:১০ পিএম

ভারতের রাজধানী দিল্লি ও আশপাশের এলাকা থেকে পথকুকুর সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সুপ্রিমকোর্ট। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে এখন ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। পশুপ্রেমী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গলা চড়িয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমেও চর্চা তুঙ্গে। 

এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি বক্তব্য রাখেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই। বুধবার তিনি জানান, পথ কুকুর সম্পর্কিত বিষয়টি তিনি নিজে দেখভাল করবেন। এদিন তাঁর বেঞ্চে এক মামলায় পথকুকুরদের নিয়মিত নির্বীজকরণ ও টিকাদানের আবেদন জানানো হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিষয়টি আমি দেখব।

তবে তিনি এই মন্তব্য ২০২৪ সালের কোনও মামলার প্রেক্ষিতে করেছেন, নাকি সম্প্রতি দেওয়া সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে বলেছেন, তা স্পষ্ট নয়। ২০২৪ সালে দিল্লি প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মামলায় অভিযোগ তুলে, নির্বীজকরণ ও টিকাদান সঠিকভাবে না হওয়ায় কুকুরের কামড়ের ঘটনা বাড়ছে। তাই দিল্লির সড়ক থেকে পথ কুকুর থেকে তুলে দেয়ার আবেদন জানানো হয় সেই মামলায়। 

এই মামলায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আদালত নোটিস জারি করে। বুধবার মামলাটি আদালতে উল্লেখ করা হলে প্রধান বিচারপতি জানান, অন্য একটি বেঞ্চ ইতিমধ্যেই পথকুকুর নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি নিজে দেখছেন। তবে মামলার শুনানির তারিখ এখনও ঠিক হয়নি।

বুধবার আদালতে ২০২৪ সালের মে মাসে বিচারপতি জেকে মহেশ্বরীর বেঞ্চের একটি নির্দেশও পড়ে শোনান আইনজীবী। তাতে বলা হয়েছিল, কর্তৃপক্ষকে আইন মেনে পদক্ষেপ করতে হবে। তবে কোনও রকম পরিস্থিতিতেই পথকুকুরদের নির্বিচারে হত্যা করা যাবে না। সকল জীবের প্রতি করুণা প্রদর্শন করাই সাংবিধানিক মূল্যবোধের পরিচায়ক। সকলকে তা মানতে হবে। এতে কোনও দ্বিমত নেই।

উল্লেখ্য, পথ কুকুরদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মানবিক পদ্ধতিতে তাদের নির্বীজকরণ এবং টিকাকরণ করানোয় ছাড়পত্র দেওয়া হোক, এই মর্মে ২০১৮ সালে দিল্লি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ২০২৩ সালে হাইকোর্ট কোনও রকম নির্দেশ ছাড়াই মামলাটির নিষ্পত্তি করে দেয়। এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ওই সংস্থা। কিন্তু সেই মামলা এখনও শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়নি।

একাত্তর/এসি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর