চীন সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের একটি শরণার্থী শিবিরে আর্টিলারি হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। সোমবার মধ্যরাতের দিকে কাচিন রাজ্যে সীমান্ত শহর লাইজারের কাছে একটি শরণার্থী ক্যাম্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মিয়ানমারে জান্তা শাসন শুরুর পর এটি ভয়াবহ হামলার মধ্যে একটি বলে মঙ্গলবার সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানায় বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্স জানায়, কাচিন রাজ্যে সোমবার মধ্যরাতের দিকে গোলাগুলি হয়। কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ) নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত শহর লাইজারের একটি ঘাঁটি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের শিবিরে আর্টিলারি আঘাত হানে। জান্তা প্রতিরোধ গোষ্ঠীটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ চলছে।
মিয়ানমারভিত্তিক কাচিন মিডিয়া জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর আর্টিলারি হামলায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে রয়টার্স হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে জান্তা ও কেআইএ’র মুখপাত্র তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
মিয়ানমারের ঐক্য সরকারের মুখপাত্র কিয়াও জাও অভিযোগ করেছেন, সামরিক বাহিনী যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে। শরণার্থী ক্যাম্পে জান্তা হামলার প্রসঙ্গে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সুচি’র সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসে সামরিক বাহিনী। এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজ্যে ছোট বড় সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। জান্তার হামলায় এ পর্যন্ত কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
পদত্যাগ করছেন জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত