জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাগোশিমা প্রিফেকচারে টাইফুন সানসানের আঘাতে এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু ও সাতজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে কিউশু দ্বীপের সাতসুমাসেনদাই শহরের কাছে ঝড়টি আঘাত হানে।
সানসানের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে বিমান চলাচল। আড়াই লাখেরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
টাইফুনটি ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার (১২৩ মাইল) বেগে আঘাত হেনেছিল বলে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে। এটি এ অঞ্চলে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি প্রিফেকচারে লাখো বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার।
প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইয়োশিমাসা হায়াশি বলেছেন, টাইফুনের আঘাতে তিনজন মারা গেছেন এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর। একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
একটি নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে হায়াশি বলেন, টাইফুনটি যেহেতু ধীরগতিতে চলছে, তাই মোট বৃষ্টির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে।
কিউশু ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির মতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সাতটি প্রিফেকচারের আড়াই লাখেরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হচ্ছে।
আগামী কয়েক দিন কিউশুতে অবস্থানের পর সপ্তাহান্তে ঝড়টি রাজধানী টোকিওসহ মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের দিকে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া সংস্থা।
এএনএ হোল্ডিংস (৯ হাজার ২০২টি) এবং জাপান এয়ারলাইন্সসহ (৯ হাজার ২০১টি) অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলো ইতোমধ্যেই ৬০০টিরও বেশি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে৷ কিউশুর অনেক এলাকায় ট্রেন পরিষেবাও স্থগিত করা হয়েছে।
কুয়ালামপুরে সিঙ্কহোলে পড়ে নারী নিখোঁজ