সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ইরানের কঠিন হুঁশিয়ারি

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

ইরানের অর্থনীতি ও তার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর চরম আঘাত হানতে নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রায় ছয় মাস পার হলেও সংঘাত থামার বা শান্তি আলোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এর মাঝেই মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইতিহাসের ‘সবচেয়ে কঠিন নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মোড় নিয়েছে।

সোমবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি নতুন নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত রূপরেখা প্রকাশ করবেন। বিশেষ করে চীনের দিকে নজর দিয়েছে ওয়াশিংটন, কারণ ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কেনে বেইজিং। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানকে সহায়তা করা যে কোনো দেশের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মার্কিন এই গৌণ নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে স্বাধীন সার্বভৌম দেশের ওপর মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের এক অপচেষ্টা মাত্র।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, আমরা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে বলছি যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দিতে, অন্যথায় আমরা তাদের শত্রু হিসেবে গণ্য করব এবং তাদের স্বার্থে আঘাত হানব।

বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ 'হরমুজ প্রণালী' প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। যেখানে আগে প্রতিদিন ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবাহিত হতো, বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ৮ মিলিয়ন ব্যারেলে। তবে বাগদাদের বিশেষ অনুরোধের পর কিছু ইরাকি তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে এই প্রণালী অতিক্রম করার অনুমতি দিয়েছে তেহরান।


ছয় মাসের এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন হামলায় ১৬৮ জন ইরানি শিক্ষার্থী নিহত হয়। হামলায় ইরানের সামরিক নৌ ও বিমান বাহিনী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন সক্ষমতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। সেনাপ্রধান আবদোল্লাহি এক ভূগর্ভস্থ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করে জানান, ইরান এখন আগের চেয়েও উন্নত মানের অস্ত্র উৎপাদনে সক্ষম।

যুদ্ধের মাঝেও ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা বা দেশটির বর্তমান শাসনের পতন ঘটানো, যা এখনো অর্জিত হয়নি। অপরদিকে চরম ক্ষয়ক্ষতির মাঝেও ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, আজই যুদ্ধ শেষ করা শ্রেয়, যখন আমরা শক্তিশালী ও আমাদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর অবস্থানের কারণে আলোচনার পথ কতটা সুগম হবে, তা নিয়ে বড় সংশয় রয়ে গেছে।

একাত্তর/এআরএস
ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে দেশটির পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ভূগর্ভস্থ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন...
ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ যখন এক চরম অনিশ্চয়তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, ঠিক তখনই মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক বিস্ফোরক পরিকল্পনা সামনে এসেছে। পারমাণিক বোমার বাইরে দেশটির হাতে...
বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও স্পর্শকাতর জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সামরিক আধিপত্য বিস্তারের চরম ও বেপরোয়া লড়াই শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটনের অনমনীয় অর্থনৈতিক অবরোধ এবং...
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল 'হরমুজ প্রণালী' নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুঁশিয়ারি ও খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার...
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের উপ-হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে। সপ্তমীর অঞ্জলি অনুষ্ঠান উপলক্ষে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নিজের এক সময়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এ সময় দেশকে...
কক্সবাজারে ছুটির আনন্দ নিমেষেই বিষাদ! পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দময় ছুটি কাটাতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন মো. আশিকুল ইসলাম। সাথে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা, শ্যালিকা লায়লা জাহান...
জা ও সাপ্তাহিক টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে হিমালয়ের বরফশুভ্র প্রকাণ্ড রূপ দেখতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভিড় জমিয়েছিলেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত পর্যটক। তবে টানা তিন দিন ধরে মেঘ ও কুয়াশার...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর