আজ ৩০ জুলাই, বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস। ব্যক্তি, জনগোষ্ঠী, সংস্কৃতি এবং ভিন্ন ভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, সদিচ্ছা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।
জাতিসংঘের এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বব্যাপী পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সেতু নির্মাণ করা। সংস্থাটি মনে করে, ভিন্ন সম্প্রদায় ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, তা সমাজে বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ায় এবং সংঘাত এড়িয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘ তাদের সদস্য রাষ্ট্রের সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সুশীল সমাজকে বিশেষ আলোচনা সভা, প্রচারণা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক বার্তালাপ, সংহতি, সমঝোতা ও পুনর্বাসনের মানসিকতা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
বিশেষ করে, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ ও দেশের প্রাণশক্তি যুবসমাজকে এই উদযাপনের মূল কেন্দ্রে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তরুণদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া, সামাজিক সহনশীলতা এবং বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে মনে করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
মূলত ইউনেস্কো (UNESCO) উদ্ভাবিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণার ওপর ভিত্তি করেই এই আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবসের সূচনা। দীর্ঘদিন ধরেই ইউনেস্কো হিংসা ও সহিংসতা পরিহার, সংঘাতের মূল কারণ সমাধান এবং সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর জোর দিয়ে আসছে।
দিবসটি উপলক্ষে ইউনেস্কো পুনর্ব্যক্ত করেছে, বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বৈচিত্র্যকে মেনে নেয়ার মানসিকতা এবং সুদৃঢ় বিশ্বাসই পারে একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে।
তরুণদের সাইবার স্ক্যামে বন্দি ঠেকাবে নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৩০ জুলাই নাকি ২ আগস্ট, ‘বন্ধুত্ব দিবস’ কোনটি?