করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ঝুঁকি কমাতে দেশে বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ফাইজারের টিকা দিয়ে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যারা অন্য টিকা নিয়েছেন তারাও ফাইজারের টিকা বুস্টার ডোজ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।
রোববার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) অডিটোরিয়াম হলে ‘বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রম’ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ড. জাহিদ মালেক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আবদুল মোমেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহুর্তে তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ হিসেবে ফাইজারকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। অনেক দেশ মডার্নার টিকা বুস্টার হিসেবে দিচ্ছে। সবকিছুতে স্বাস্থ্য বিভাগ বিশ্ব স্বাস্থ্যর নির্দেশ অনুসরণ করবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে সকল শ্রেণির ফ্রন্ট লাইনারদের ও ৬০ বছর বয়সী সকলকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।
দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে প্রয়োজন হবে ২৪ কোটি টিকা
দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ ১২ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই কার্যক্রম চালাতে ২৪ কোটি টিকা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে আনছে আরও শীত
এবারও প্রথম বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন সেই রুনু হেরানিকা কস্টা। এর আগে দেশে করোনা টিকার উদ্বোধনের সময় তিনিই প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন। রুনু পেশা একজন নার্স। তিনি বর্তমানে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত আছেন।
এরপর একে একে বুস্টার ডোজ নেন স্বাস্থ্যের ডিজি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী।
একাত্তর/এসি
