সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে বাংলাদেশের পর্যটন স্পটগুলো আবর্জনার ভাগাড়েপরিণত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পর্যটকদের উদাসীনতা যেমন দায়ী তেমনি কর্তৃপক্ষকেও দুষছেন অনেকে।
অথচ খুব বেশি দূরের নয়, আশপাশের দেশগুলোতেই পর্যটন স্পটগুলোকে আবর্জনামুক্তরাখতে সব সময় সচেষ্ট থাকে পর্যটক ও কর্তৃপক্ষ।
মেনে নেয়াটা কষ্টকর হলেও, বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে আকর্ষনীয়সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের আবর্জনাময় দৃশ্য পর্যটকদের চোখে পড়বেই।
পর্যটক ও স্থানীয়দের ফেলে দেয়া আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে সৈকতেরদীর্ঘ বেলাভুমি। এ নিয়ে পর্যটকদের যেমন ন্যুনতম সচেতনতা নেই, তেমনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাবলে যে একটি বিষয় আছে সেটিও যেনো কর্তৃপক্ষের কাছে একেবারেই অজানা।
আর অন্যদিকে যদি ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের একটি বালুচর দেখাযায়, তাহলে সেখানেও কিন্তু প্রতিদিন শত শত পর্যটক সেখানে নৌযানে ঘুরতে আসেন। সারা দিনবালুকা বেলায় নানা ধরনের আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন পর্যটকরা। কোথাও কোন আবর্জনার লেশ মাত্রনেই।
সেখানে গিয়ে সব পর্যটকেরই উপলব্দি, তিনিই হয়তো প্রথমবার এই সৈকতে পারেখেছেন। কারণ পর্যটকদের ফেলে যাওয়া কোন আবর্জনা কোথাও খুজে যাওয়া যাবে না।
আমাদের সেন্টমার্টিনের তলদেশের কোরালের ফাঁক ফাঁকে কোকাকোলার ক্যান,চিপসের প্যাকেট আর প্লাসিকের বোতল পাওয়া যায় অহরহ। যা নিয়ে রিতিমতো শঙ্কিত পরিবেশকর্মীরা।
কিন্তু মালদ্বীপের সাগর তলতো দুরের কথা সৈকতেও এমন কিছু পাবেন না।কারণ সেখানে পর্যটকরা যত্রতত্র আবর্জনা ফেলেন না।
বালুচরে সারাদিন কাটিয়ে বিকেলে ফেরার আগে পর্যটক আর গাইডরা এভাবেইনিজেদের ফেলে যাওয়া আবর্জনা বস্তাবন্দি করে নিয়ে যান। কোন কিছুই সৈকতে বা সাগরের বুকেফেলে দেন না।
যখন সবাই ফিরে যান তখন প্রকৃতি তার আপন মহিমায় টিকে থাকে। যাতে মানুষেরকোন অত্যাচারের লেশ মাত্র চোখে পড়ে না।
একাত্তর/এসএ
