ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে রোববার মধ্যরাত থেকে বাংলাদেশের
উপকূলে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও
কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সাথে বইছে ঝড়ো হাওয়া।
অশনি তার গতিপথ বদল করে বাংলাদেশের দিকে আসার সম্ভাবনা মাথায় রেখে উপকূলীয় এলাকায় নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। তৈরি হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক দলও।
সোমবার ভোর থেকে মুষলধারায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। এদিকে প্রচন্ড গরমের পর বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, ঘূর্ণিঝড়ের খবরে আতংকিত উপকূলের মানুষ।
পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত ঘোষণার পরই ভয়ে রয়েছেন আন্ধার মানিক, খাপড়া ভাঙ্গা ও রাবনাবাদ নদী তীরবর্তী এলাকার লোকজন।
কলাপাড়া সিপিপি'র উপ-পরিচালক আছাদ উজ জ্জামান বলেন, উপজেলায় ১৭০টি আশ্রয় কেন্দ্র ও মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মোংলাতেও বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস বইছে রোববার রাত থেকে। উপকূলীয় এলাকা চিলা, জয় মনি, কানাইনগর এলাকার নদী পাড়ের লোকজনকে সতর্ক করছেন জনপ্রতিনিধিরা।
সকাল থেকে থেমে থেমে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে পটুয়াখালীতে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থান করছে।
আরও পড়ুন: প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে শক্তি বাড়াচ্ছে অশনি
