বাংলাদেশ আগামী অর্থনীতির সবচেয়ে সম্ভাবনার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩, ১১:৩১ পিএম

বাংলাদেশকে আগামী দিনের অর্থনীতির সবচেয়ে সম্ভাবনার দেশ হিসাবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, উন্নয়নের এই ধারা বজায় থাকলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ শুধু থাইল্যান্ড ভিয়েতনাম নয়, যুক্তরাজ্য-জার্মানির প্রতিষ্ঠিত বাজারকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এজন্য প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ বেশি হারে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে। 

শনিবার (১১ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ বিজনেস সামিট- ২০২৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশে বিদেশি বিনিয়োগের আহবান জানিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। সেটি আরও সংস্কার ও ব্যবসাবান্ধব করা হবে। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য সরিয়ে দেওয়া হবে। 

image


আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ কেমন হবে তার ধারনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানে বাংলাদেশ হতে পারে ৩০০ কোটি মানুষের বাজারের কেন্দ্র বিন্দু। বা যে ১৭ কোটি মানুষের দেশের ১১ কোটিই কর্মক্ষম তাদের কাজে লাগালে পরে অর্থনীতি মানুষকে উন্নত জীবন দেবে। 

পর্দায় যখন স্মার্ট বাংলাদেশের এমন কাল্পনিক চিত্র, তখন উচ্চাকাঙ্ক্ষা বলে মনে হলেও নিজের লক্ষ্য কেমন করে ছোঁয়া সম্ভব তার প্রতিটি ধাপ বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় বেসরকারি খাতের কৃতিত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালে তৈরি পোষাক খাতের আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার। আছে রেমিট্যান্স, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন- মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ, পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল,  টানেল, যোগাযোগ অবকাঠামোর বদলে যাওয়া চেহারা। এই পথের শেষে পৌঁছাতে যারা কাজ করছেন তাদের হতাশ না হয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। 

image


আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে ৭৩ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল খাত আগামী দুই বছরের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করবে। প্রথাগত খাতগুলোর বাইরে এই খাতে উন্নয়নের অবকাঠামোও প্রস্তুত। আর এই প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপে আছে লক্ষ্য রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন।

শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় বাংলাদেশ বন্যা-খরাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত পেত। এখন কিন্তু সে অবস্থা নেই। এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। গত ১৪ বছরে আমরা বাংলাদেশের ব্যাপক পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। এমনকি করোনাকালেও বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমরা যে পারি, সেটা প্রমাণ করেছি পদ্মা সেতু নিজ অর্থায়নে করে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু ‍মুনশি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


একাত্তর/এসি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের অমর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের চেতনাকে চির অম্লান করে রাখতে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। একইভাবে আগামী দিনে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর...
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর