তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য পঞ্চম কৌশলগত সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
দুইদিনের সফরে ঢাকায় আছেন যুক্তরাজ্যের আন্ডার সেক্রেটারি স্যার ফিলিপ বার্টন। বিকাল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ সংলাপে অংশ নেন ফিলিপ বার্টন।
সংলাপের সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। সংলাপ শেষে পররাষ্ট্রসচিব জানান, বন্দি বিনিময় চুক্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য। বৈঠকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের স্থায়ী আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ বার্টন।
প্রায় দুই বছর পর আয়োজিত তিন ঘণ্টার এ সংলাপে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শ্রম অধিকার, ও বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে আন্ডার সেক্রেটারি সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে জানান, মূলত যুক্তরাজ্য এবং বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে পররাষ্ট্র সচিব সংলাপ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন এ বৈঠকের নানা দিক। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। দুই দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাজ্য। জনগণ যাতে অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেটা চায় তারা। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চায়, তবে তারা সেজন্য প্রস্তুত আছে।
মানবাধিকার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কথা জানানো হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনে ত্রুটি থাকলে তা উৎরাতে যুক্তরাজ্য সাহায্য করার কথা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
