রাজধানীসহ সারাদেশে সবজি, কাঁচামাল ও অন্য পণ্য ট্রাক-পিকআপেই পরিবহন করা হয়। ঢাকার বাজারেও বেশিরভাগ পণ্য আসে সড়কপথে। তবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত পণ্য অল্প ভাড়ায় ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে আন্তঃনগর ট্রেনে প্রথমবারের মতো পণ্যবাহী কোচ বা লাগেজ ভ্যান যুক্ত করলো রেল কর্তৃপক্ষ।
ফলে এখন থেকে শাকসবজি, মৌসুমী ফল,পচনশীল দ্রব্য যেমন- মাছ, মাংস, দুধ এসব ট্রেনে আনা-নেয়া করা যাবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে চলা ১৬টি আন্তঃনগর ট্রেনে পণ্যবাহী এই কোচ যুক্ত হয়েছে।
রোববার সকালে কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের সঙ্গে প্রায় সাড়ে চার হাজার কেজি মালামাল নিয়ে একটি কোচ যুক্ত করার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
সড়কের মতো রেলপথেও পণ্য পরিবহন উৎসাহিত করতেই এমন উদ্যোগ উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী জানান, রুট ভেদে পণ্যের জন্য কেজি প্রতি ভাড়া হবে সর্বনিম্ন এক টাকা ৬৮ পয়সা থেকে তিন টাকা ১২ পয়সা। নির্ধারিত স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মালামাল বুকিং করা যাবে।
তিনি বলেন, রেলের সুবিধা আমরা বাড়াতে চাই। আপাতত ১৬টি ট্রেনে একটি করে লাগেজ ভ্যান দিচ্ছি। চাহিদার ওপর নির্ভর করে লাগেজ ভ্যান আরও বাড়ানো হবে। এই ব্যবস্থায় যেমন প্রান্তিক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন, তেমনি আয় বাড়বে লোকসান হওয়া রেলেরও।
রেলমন্ত্রী জানান, চীন থেকে ৭৫টি এমজি লাগেজ ভ্যান আমদানি করা হচ্ছে। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে (যাত্রীবাহী ট্রেনে) একটি করে লাগেজ ভ্যান যুক্ত হবে। এর মধ্যে চীন থেকে প্রথম চালানের ২০টি লাগেজ ভ্যান চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পাহাড়াতলী কারখানায় এসেছে। পর্যায়ক্রমে অন্য লাগেজ ভ্যানগুলোও দেশে আসবে।
রেলমন্ত্রী বলেন, এর আগে আম পরিবহনে ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’, গরু পরিবহনে ‘স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন’ চালু করেছিলো রেল কর্তৃপক্ষ। তবে সেসব উদ্যোগ ততোটা কার্যকর হয়নি।
একাত্তর/এসি
পাঁচ জেলার দুই ব্লকে গ্যাস খুঁজবে যুক্তরাষ্ট্রের শেভরন