পাঁচ জেলার দুটি ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব পাচ্ছে যুক্তরাষ্টের তেল ও গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান শেভরন। জ্বালানি বিভাগ এরই মধ্যে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, দ্রুত গ্যাস পেতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবেই শেভরনকে বেছে নেয়া হচ্ছে। দ্রুত ও মানসম্মত কাজের জন্য শেভরনের আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। শেভরন প্রায় ২৮/২৯ বছর ধরে আমাদের দেশে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ করছে। তাদের প্রোডাকশন গ্রেড অনেক ভালো। আমাদের দেশের মানুষদের কাজে লাগানো, গ্যাস ফিল্ডগুলোর দেখভাল করা ইত্যাদিতে শেভরন তাদের সামর্থ দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার মনে করছে দ্রুত আমাদের গ্যাস দরকার। আমরা চেষ্টা করছি এই মাসের মধ্যে খনন করা নতুন কূপগুলোর কাজ দিয়ে দেওয়া। সরকারের অনুমোদন পেলেই আমরা শুরু করে দেবো।
তিনি বলেন, এই দুটো ব্লকের দায়িত্ব পেলে ত্রিমাত্রিক জরিপ করে অধিক সম্ভবনাময় স্থানে অনুসন্ধান কূপ খনন করবে শেভরন।
এদিকে দেশের ১২, ১৩, ১৪ নম্বর ব্লক বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজারে গ্যাস উত্তোলন করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান শেভরন। প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রতিদিনের উত্তোলিত গ্যাসের প্রায় ৬৫ শতাংশ তোলে। এবার তারা টাঙ্গাইল- জামালপুর ও সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শেরপুর এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানের প্রস্তাব পাঠায়। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয় নীতিগত অনুমোদন নিয়েছে।
এদিকে এই দুই ব্লকে শেভরনের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় তেল গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সকে অংশীদার রাখা জরুরি বলে জানান জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী।
তিনি বলেন, বাপেক্স গত কয়েক বছরে সার্ভের জন্য এখানে অনেক টাকা খরচ করেছে। সাধারণভাবে জয়েন্ট ভেঞ্চারে ১০ শতাংশ ক্রেডিট ইন্টারেস্ট বাপেক্স পায়। এর সঙ্গে এই টাকাগুলো যদি যোগ হয় এবং গ্যাস খুঁজতে অন্য যে কাজগুলো হবে তার সঙ্গে যদি বাপেক্সকে যুক্ত করা হয় তাহলে বাপেক্স অতিরিক্ত কোনো টাকা দেওয়া ছাড়াই সে কিন্তু ইকুয়িটির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পেতে পারে, যা দরকাষাকষির ওপর নির্ভর করবে।
একাত্তর/এসি
গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস খুঁজতে আগ্রহী এক্সন মবিল