রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, সন্ত্রাস ও নাশকতা করে ট্রেনে যাত্রী চলাচল বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নিরাপদ রেলযাত্রাকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যার্থ হয়ে রেলকে বেছে নিচ্ছে। বাস ট্রাকে মানুষ সচেতন হচ্ছে তাই নাশকতার জন্য এখন তারা ট্রেনকে বেছে নিচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে রেলভবনের সভাকক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলে নাশকতা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রেল চলাচলে হুমকি তৈরি হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকের সহযোগিতা চাই। রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে রেলকে সম্পৃক্ত করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ফেলে জনজীবন যে হুমকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো প্রতিটি ফৌজদারি অপরাধ। আমাদের দিক থেকে আমরা নিরাপদ রেল যাত্রার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
নুরুল ইসলাম বলেন, ট্রেনটি বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসার পর এর ভেতরে থেকে আগুন দেওয়া হয়। ট্রেনের তিনটি কোচে আগুন দেওয়া হয়। এতে চারজন মারা যান। তিনটি কোচ পুড়ে যায়।
মন্ত্রী বলেন, তেজগাঁওয়ে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রেলের ডিস্ট্রিক্ট ট্রান্সপোর্ট অফিসারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ভোরে রাজধানীর তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয় নাশকতাকারীরা। এ ঘটনায় একটি বগি থেকে মা-শিশুসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
পরিচয় পাওয়া দুইজন হলেন- নাদিরা আক্তার পপি (৩৫) এবং তার তিন বছরের শিশু সন্তান ইয়াসিন। নিহত অপর দুইজন পুরুষ। তাদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তেজগাঁওয়ে ট্রেনে নাশকতা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি