ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার ছোট বোন শাযরেহ হক। মামলায় আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে ঢাকার গুলশান থানায় মামলাটি করেন শাযরেহ হক।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, সিমিন রহমানের ছেলে ও ট্রান্সকম লিমিটেডের হেড অফ ট্রান্সফরেশন যারাইফ আয়াত হোসেন, কর্পোরেট অ্যাফেয়ারসের (আইন) নির্বাহী পরিচালক মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া (৬০), কর্পোরেট ফাইনান্সের পরিচালক মো. কামরুল হাসান (৬১), কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজার সেলিনা সুলতানা (৪৫), কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজার কেএইচ মো. শাহাদত হোসেন (৫০), এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ম্যানেজার (মেডিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) ডা. মুরাদ (৫০), মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৫৫), মো. জাহিদ হোসেন (৫৫), রফিক (৫৫) ও মিরাজুল (৪০) ।
এদিকে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের কাছে মামলাটি আসলে ছায়া তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অন রশীদ।
তিনি বলেন, দোষী হলে, সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করবে ডিবি পুলিশ।
এর আগে গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ এনে গত ২২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় এসব মামলা দায়ের করেন শাযরেহ হক।
লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান এখন ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। আর নাতি যারেফ আয়াত ট্রান্সকমের হেড অব ট্রান্সফরমেশন। ছোট মেয়ে শাযরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক।
