রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ। আরও দুইদিন এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজও তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম জানান, দেশের চার জেলা রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও খুলনায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই জেলাগুলোতে প্রতিদিন তাপমাত্রা থাকছে ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র ও মাঝারি তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে।
মে মাসের দুই তারিখে সিলেটসহ কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় হতে পারে। একইসঙ্গে আগামী ৪-৫ মে সারাদেশে বৃষ্টিপাতেরও পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।
সারাদেশে বৃষ্টিপাত হলে তাপমাত্রা কমবে তবে ৯-১০ তারিখ পর্যন্ত সহনীয় থাকবে তাপের প্রভাব। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোত বৃষ্টিহীন থাকায় দেশের তাপমাত্রা কমছে না বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।
এর আগে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের ব্যাপারে বলা হয়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলাসমূহের ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।
সোমবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ দশমিক ০৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো দিনাজপুরে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গরমে চরম ভোগান্তিতে শ্রমজীবী মানুষ
দুইমাস পর মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে ইলিশ শিকার