‘ধর্ম ব্যবহার করে ভোটে জেতা যায় না, বার্তা দিলো ভারতের নির্বাচন’

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম

ধর্ম ব্যবহার করে ভোটে জেতা যায় না, বিশ্বে এ বার্তাই দিয়েছে ভারতের নির্বাচন। এডিটরস গিল্ড আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, গণতন্ত্রের ওপর জনগণের আস্থা আরও এক ধাপ বাড়িয়েছে লোকসভার ভোট। তবে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বাড়াতে দু’দেশের মানুষের পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।

শনিবার সম্পাদকদের শীর্ষ সংগঠন এডিটরস গিল্ড আয়োজিত ‘ভারতের নির্বাচন ও ভূরাজনীতি’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনায় এ তাগাদা দেন বক্তারা।

তারা বলেন, ভারত এমন এক রাষ্ট্র যার ভেতরে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভারতের রাজনীতিতে নির্বাচন শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। তাই নানান বৈরী পরিবেশের মধ্যেও ভোটে রায় দিয়েছে সে দেশের মানুষ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এ বিষয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার পরিবর্তনের একটাই পথ; তা হলো নির্বাচন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমডোর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাপী যারা গণতন্ত্রের পক্ষে- যারা গণতন্ত্র দেখতে চায়, ভারতের নির্বাচন তাদের জন্য আশার বানী।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী মনে করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি ভারতের মানুষের যে আস্থা আছে- তা পূরণ হয়েছে। জনগণের মধ্যে আস্থা না আসলে দুর্বলতা থেকেই যায়।

ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে কোনোভাবেই ভোটে জয়লাভ করা সম্ভব নয়। বিশ্বের কাছে এই বার্তাই দিয়েছে এবারের লোকসভা নির্বাচন।

আইনজীবী ও গবেষক ড. ফারজানা মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি কোনো সুফল বয়ে আনে না। এ ধরনের দলগুলোর কাছ থেকে আমাদের অন্য দলগুলোর দূরে থাকা মঙ্গলজনক।

‘কেউ দিবে তা না ভেবে, চাওয়ার মতো যোগ্যতাও আমাদের রাখতে হবে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ মনে করেন, সবার স্বার্থ রেখে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা করতে পারলে তাই মঙ্গলজনক।

এবারে ভারতে হয়তো দুর্বল সরকার হবে। তারপরও বাংলাদেশি হিসেবে বড় প্রত্যাশা থাকবে সীমান্তের হত্যা বন্ধ আর তিস্তার পানি ন্যায্য বণ্টন।

রাজনীতি বিশ্লেষক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান এ বিষয়ে বলেন, সবকিছু যোগ করলেও আমরা যা তাদের কাছ থেকে পাই- সেটা কিছুই না।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার মনে করেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রেখেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, মমতার সব কথা কী সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট শুনছে? সব দাবি কী পূরণ হচ্ছে? তার পানির কথাই কেনো শুধু শুনবে তাহলে।

সবশেষ এডিটরস গিল্ডের সভাপতি ও একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক এবং গোলটেবিল আলোচনার সঞ্চালক মোজাম্মেল বাবু বলেন, সরকার সব কিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে একটা ভালো কিছু উপহার দিবে আমরা সে প্রত্যাশা রাখি। বিজেপি যদি সত্যি সত্যি জনগণের জন্য কাজ করেন, তার সুফল এ অঞ্চলের সবাই পাবে।

 

কেএসএইচ/আরএ
বর্তমান তরুণ সমাজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী নয় এবং ভবিষ্যতেও তারা সমাজের যে কোনো অসংগতি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করবে। এডিটরস গিল্ড আয়োজিত 'নাশকতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ' শিরোনামে গোলটেবিল আলোচনায় এমন মত...
শেখ হাসিনা বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের (যুক্তরাষ্ট্রের) বক্তব্যে এসে গেলো যে লাশ পড়েছে। লাশের খবর তাদের কে দিলো? তাহলে লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে? এটাও খবর নেওয়া দরকার। এবং তারপরে কিন্তু লাশ পড়তে...
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা নিজেদেরকে ‘রাজাকার ঘোষণা’ করে স্লোগান দেওয়াকে ‘বেদনাদায়ক ও একাত্তরের শহীদের আত্মদানের প্রতি অবমাননাকর’ বলে অভিহিত করে...
পিছিয়ে পড়া সকল গোষ্ঠী যাতে সমান সুযোগ পায় তার জন্য কোটা পদ্ধতির সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করেন দেশের বিশিষ্টজনরা। আর এজন্য আলাদা কমিশন গঠনের তাগিদ দিয়েছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর