মালয়েশিয়া যেতে না পারা ১৭ হাজার কর্মীর পাওনা টাকা ফেরত দিতে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দিলো প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে কর্মীদের পাওনা ফেরত দিতে একশটি রিক্রুটিং এজেন্সিকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এই সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়া না হলে দায়ী এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া যাবার শেষদিন ছিলো গেলো ৩১মে। সব প্রক্রিয়া শেষ করেও এদিন প্রায় ১৭ হাজার কর্মী যেতে পারেননি। তাদের কেউ উড়োজাহাজের টিকিট পাননি। আবার কেউ নিয়োগকর্তার চূড়ান্ত সম্মতি পাননি।
তাদের অনেকেই নিজেদের শেষ সম্বল বিক্রি করে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা ফিরে পাচ্ছেন না।
বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়া পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় শ্রমিকদের পাওনা টাকা ফেরত দিতে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধরী।

তিনি বলেন, একশটি রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠায়। এদের কারও ৫০০ কারও ৪০০ আবার কারও ৫০ জন কর্মী যেতে পারেনি। প্রমাণ সাপেক্ষে এজেন্সিগুলো এই ১৭ হাজার কর্মীর টাকা ফেরত দিতে রাজি হয়েছে। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে তারা টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিল হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছেন, তারা যার কাছে টাকা দিয়েছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করলে টাকা ফেরত পাবেন। যারা টাকা দেবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবার প্রায় পাঁচ লাখ ২২ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাবার অনুমোদন ছিলো। এর মধ্যে যেতে পেরেছেন চার লাখ ৭৬ হাজার। বাকী অন্তত ১৭ হাজার কর্মী যেতে পারেননি। ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললে এই কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেটির ব্যাপারেও আমরা কাজ করছি। আইন উপদেষ্টাদের নিয়েও কাজ করছি আমরা। যেহেতু হাইকোর্টের একটি রুল আছে, সে হিসেবে আইনের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।
এ মাসের শেষে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর সে দেশে কর্মী পাঠানোর রাস্তা আবারও উন্মুক্ত হবে বলে আশা করেন প্রতিমন্ত্রী।
পর্তুগালের অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন, বিপাকে প্রবাসীরা