প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ, যা বলছেন বিশ্লেষকরা

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪, ০১:২১ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার চীন সফরে যাচ্ছেন। কূটনীতিক আর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন সফরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সফরের লক্ষ্য দেশের উন্নয়নে আরও বিনিয়োগ এবং ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করা।

ভূরাজনীতির তৎকালীন তিক্ত বাস্তবতায় মুক্তিযুদ্ধ এবং পরে বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলো না চীন। সেই দেশটিই মুজিবকন্যার শাসনামলে বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় বন্ধু। সরকারের নতুন মেয়াদে প্রথম চীন সফর করছেন শেখ হাসিনা। 

দেশের উন্নয়ন এবং অর্থনীতি নিয়ে তার নতুন সরকারের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্যই শেখ হাসিনার চীন সফরটি গুরুত্বপূর্ণ, বলছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। 

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, নেত্রী নতুন সরকার গঠন করেছেন। নতুন সরকারের বিরাট প্রত্যাশা, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটা স্মার্ট দেশ হবো। এগুলোর জন্য যে ধরনের বিনিয়োগ দরকার। চীন এই বিনিয়োগের একটা বড় উৎস হতে পারে।   

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলছেন সফরটি স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশিত এখন অপেক্ষা শুধু প্রাপ্তি তালিকার। 

ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলছেন, এই সফর আগে থেকেই নির্ধারিত। সফরের ফলাফল কী হবে তা দেখা দরকার। তবে এটা স্বাভাবিক একটা সফর, অস্বাভাবিক কোনো সফর নয়। যেহেতু এই দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের সম্পর্ক আছে।     

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।

এই কূটনীতিক বলছেন এবার বাংলাদেশের প্রত্যাশাটা বেশি কারণ সম্পর্কের সীমানাটাও এখন অনেক বড়। 

চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, তারা আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদার। সেটা খুব একটা ছোট ব্যাপার নয়। 

বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি, উন্নয়ন এবং বাজারই এদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে চীনের আগ্রহ বাড়িয়েছে বলছেন ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।  

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই বিশ্লেষক বলেন, আমরা যখন ভূরাজনীতির কথা বলি সবসময় আঞ্চলিক সংঘাতের রাজনীতির কথা মনে হয়। কিন্তু আঞ্চলিক সহযোগিতার রাজনীতিও হতে পারে। তার অনেক উদাহরণ আছে। 

চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ।

তবে বেইজিং-ঢাকা সম্পর্ককে তথাকথিত ভারসাম্যের কূটনীতির সংজ্ঞায় ফেলতে চান না চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত। 

মুন্সী ফয়েজ আহমেদ বলেন, অনেকেই একটা ভারসম্যের কথা বলেন। আমি মনে করি, সারাক্ষণ ভারসম্যের কথা চিন্তা করা ঠিক না। জাতীয় স্বার্থে যেটা আমাদের সবচেয়ে প্রয়োজন এবং সবচেয়ে ভালো শর্তে যার কাছ থেকে পাবো, সেই বিশেষ প্রকল্প তাদের সহযোগিতায় করবো। সেভাবে যদি আমরা করি তাহলে একটা ভারসাম্য এমনিই তৈরি হবে। ভারসাম্য নিজে থেকেই তৈরি হবে।      

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীও মনে করেন চীনের সাথে সম্পর্ক নিরাপদ ও লাভজনক।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন,  চীনের সাহায্যের মধ্যে সুবিধা আছে। তারা রাজনৈতিকভাবে চাপ দেয় না। কাজের জন্য টাকা দেয় এবং কাজ করে।   

আরবিএস
চীন সফরের শেষ দিন শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।
চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো'র আমন্ত্রণে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল চারদিনের সফরে চীন যাচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে মূল নজর থাকবে দু'দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে সেই বিষয়টি। 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার।
জুলাইয়ে সামান্য কমার পর আগস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি। আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলছে।
বিশ্ব ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসির নীল-সাদা জার্সি তুলে রাখার ঘোষণার পর এবার বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবল ভক্তের বুক চিরে কান্না নামাতে তৈরি বুয়েনস আইরেসের আইকনিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম! আগামী ৬ অক্টোবর...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর