কোটা সংস্কার আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও কারফিউ জারির কারণে রোববার থেকে মঙ্গলবার সাধারণ ছুটির পর পুনরায় শুরু হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের কার্যক্রম। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির পর নির্বাহী আদেশে এ ছুটিসহ টানা পাঁচদিন পর বুধবার আংশিকভাবে খুলছে অফিস।
বুধবার ও আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে অফিস-আদালত। ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের লেনদেনও চলবে একই সময় পর্যন্ত। দুইদিনের জন্য এ অফিসসূচি নির্ধারণ করেছে সরকার।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে সকাল ১১টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত কিছু ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। কোন কোন শাখা খোলা থাকবে, তা নিজ নিজ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে, অফিস-আদালত খুলে দেওয়া হলেও সারাদেশে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
তবে, জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস ও বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এ সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবেন। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এই সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরাও এ সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবেন।
জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলো এ সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে, যা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে। এর মানে হলো জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস ও কর্মীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চলবেন।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার রাত থেকে কারফিউ জারি করে সরকার। এসময় গত রোব, সোম ও মঙ্গলবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ধীরে ধীরে বাড়ছে কারফিউ শিথিলের সময়সীমা।
মেট্রোরেল বন্ধ