দেশের ১১টি জেলায় চলমান বন্যায় 'সন্তোষজনক' ভূমিকা না রাখতে পারায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সিনিয়র সচিব এমএ আকমল হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালীতে রেড ক্রিসেন্টের ভূমিকা খুবই দুঃখজনক। সেজন্য রেড ক্রিসেন্ট পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সচল হয়।
স্বাস্থ্য সেবা সচিব বলেন, সেন্টমার্টিনে আমি যখন আটকা পড়লাম। মানুষ তাদের ঘর থেকে যাবে না। জোর করে পুলিশ দিয়ে সরানো হলো, তাদের প্রাণ বাঁচলো। তখন কিন্তু আমি রেড ক্রিসেন্টের সেচ্ছাসেবকদের পেয়েছি।
'এবার বন্যায় রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীরা যায়নি আমি তা বলবো না। কিন্তু তাদের ভূমিকা সন্তোষজনক না হওয়ায় আমরা বোর্ড ভেঙে দিয়েছি আজ,' যোগ করেন তিনি।
আকমল হোসেন আজাদ আরও বলেন, নতুন বোর্ড, নতুন চেয়ারম্যান, নতুন সেক্রেটারি জেনারেল বসবেন। নতুন লোক আসবে। আপনারা দেখবেন যে কোনো বিপদে যেনো সহযোগী হিসেবে রেড ক্রিসেন্ট অংশ নিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের কেউ কিন্তু বলেনি রেড ক্রিসেন্ট ভেঙে দেওয়ার কথা। আমাদের বুদ্ধি বিবেচনায় মনে হয়েছে এদের দিয়ে আর চলবে না। আপনারা (সাংবাদিক) খোঁজ নিন সেখানে কি হয়েছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি একটি মানবিক সহায়তা সংস্থা, যারা বিভিন্ন দুর্যোগ-দুর্বিপাকে বাংলাদেশ সরকারের সহায়ক সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটির প্রতিটি জেলাসহ মোট ৬৮টি ইউনিট রয়েছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ ও পুনর্বাসনে এই সংস্থাটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ‘পাশে থাকবে’ রাশিয়া