সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের পথে বড় অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভালো করার অন্তরায়।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গত সপ্তাহে সীমান্তে এক কিশোরীকে বিএসএফ গুলি করে হত্যার পর আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু রোববার রাতে আরেক কিশোরকে হত্যা করেছে বিএসএফ।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হত্যা কখনো বন্ধ রাখেনি ভারত। এটি দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ করে। যখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সোনালি অধ্যায় বলা হতো, তখনও সীমান্ত হত্যা হতো।
সীমান্তে হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ বহুদিনের। এ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক নানা বৈঠক-আলোচনা হলেও হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি।
২০২৩ সাল পর্যন্ত গত ৯ বছরে সীমান্তে ভারতের বিএসএফ ২৪৫ জন মানুষকে হত্যা করেছে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ বিবৃতি দেন।
এদিকে গত সাত সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ফেলানীর মতো হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না।’
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না। নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করুন।
এদিন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত দুই থেকে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা আমেরিকায় গেছে। বলেন, বছরে ২০ হাজার করে ১০ বছরে দুই লাখ রোহিঙ্গাকে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।’
তৌহিদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে দ্রুত কাজ করছে সরকার।
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কিশোর নিহত, আহত আরও দুই
রাষ্ট্রপতির ‘সেকেন্ড হোম’ প্রসঙ্গে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা