বাংলাদেশ পুলিশের তিন অতিরিক্ত আইজিপিকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনির সই করা আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
তারা হলেন- পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজিপি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজিপি ওয়াই এম বেলালুর রহমান ও পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি সেলিম মো. জাহাঙ্গীর।
প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে।
বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সুবিধাদি পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গত বছরের আট অক্টোবর র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও সর্বশেষ পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান শাহাবুদ্দিন খান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার ও সর্বশেষ ট্যুরিস্ট পুলিশে কর্মরত খন্দকার মহিদ উদ্দিনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক দেবদাস ভট্টাচার্য, ঢাকায় সংযুক্ত শিল্পাঞ্চল পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এ কে এম হাফিজ আক্তার, ঢাকায় পুলিশ টেলিকমে কর্মরত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বশির আহম্মদ, ঢাকায় সংযুক্তির আদেশপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, এপিবিএন সদরদপ্তরে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার দাদন ফকিরকে অবসরে পাঠানো হয়।
তারও আগে দুই সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার লুৎফুল কবির, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মীর রেজাউল আলম, নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপমহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) ইমাম হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
পাঁচ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে শুধু হাসিনা ইস্যুতে আটকে থাকবো না: উপদেষ্টা