শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার তিন দিনব্যাপী প্রথম পর্ব। এজন্য টঙ্গীর তুরাগ তীরে ১৬০ একর ময়দান প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে ময়দান।
৩১ জানুয়ারি ফজর নামাজ শেষে আমবয়ানে ইজতেমার মূল পর্ব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই আগত মুসল্লিদের উদ্দেশে থেমে থেমে বয়ান করা হচ্ছে। ময়দানজুড়ে সিসি ক্যামেরা, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, গোয়েন্দা নজরদারিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত বাস ও ট্রাক দিয়ে ইজতেমা ময়দানে আসছেন মুসল্লিরা। প্রায় সবার কাঁধেই বড় বড় ব্যাগ। মুসল্লিদের চাপে প্রতিটি প্রবেশপথেই জটলা সৃষ্টি হয়েছে। ময়দানে ঢুকে নিজ জেলার জন্য নির্ধারিত স্থানে জড়ো হচ্ছেন তারা। ইজতেমা শুরুর সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে থাকবে, কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাবে পুরো ময়দান।
তারা বলছেন, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য আমলের নিয়মকানুন শেখা ও দ্বীনি দাওয়াতে নিজেদের নিয়োগ করার কাজ নির্বিঘ্ন করার জন্য একটু আগেভাগেই ময়দানে এসেছেন।
তাদের দাবি টয়লেট খাবার পানিসহ নানারকম সংকট থাকলেও তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নন তারা।

এবারের ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশ নিচ্ছেন মোট ৪১টি জেলা থেকে আসা মুসল্লিরা।
বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে মুসল্লিদের জন্য রাখা হয়েছে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা। মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১৪টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ট্রেনগুলো ইজতেমা চলাকালীন পরিচালনা করা হবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এবার ইজতেমা ময়দানে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা অন্য বছরে তুলনায় কঠোর করা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানে বাহিনীর সদস্যরা পোশাকে, সাদা পোশাকে থাকার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ময়দানজুড়ে সিসি ক্যামেরা, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও উন্নতি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার পর্যন্ত যেমন থাকবে আবহাওয়া