আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন এবং প্রতীকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইভাবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের বিষয়েও আদালতের নির্দেশনা মেনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (০১ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব কথা জানান।
ইসি সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত জামায়াতের নিবন্ধন এবং প্রতীকের বিষয়ে আমরা কোনো পর্যবেক্ষণ পাইনি। পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পর আইনিভাবে যা প্রযোজ্য, সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের প্রতীকের বিষয়েও বলছি, আইনগতভাবে যেভাবে প্রাপ্য, সেভাবেই পাবে। প্রতীকের বিষয়ে তাদের নিবন্ধনের বিষয়ে কী পর্যবেক্ষণ আছে, ডকুমেন্ট না থাকলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমার কিছু বলার থাকে না।
এদিকে ইশরাকের বিষয়ে আদালতের কোনো পর্যবেক্ষণ আমরা পাইনি জানিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, কিছু পর্যবেক্ষণ এবং নির্দেশনা যেটা আসবে আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নেবো। আমি আবারও বলছি, কোনো কাগজ না পাওয়ার পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না। আমরা কাগজটা পাওয়ার পর পর্যবেক্ষণ দিতে পারবো।
এর আগে ২০১৩ সালে করা এক মামলায় আদালত জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করলে নির্বাচন কমিশনও দলটির নিবন্ধন বাতিল করে। অন্যদিকে ট্রাইব্যুনালের রায়ে সম্প্রতি ইশরাক হোসেন ডিএসসিসির মেয়র পদে নির্বাচিত ঘোষিত হলে তার বিরোধিতা করে রিট আবেদন করা হয়। আপিল বিভাগ বিষয়টিতে ইসিকে সিদ্ধান্ত দিতে বলে।
শেখ হাসিনাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিলো ট্রাইব্যুনাল
হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর