অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আবুল কাশেম ফজলুল হক শুধু কৃষক সমাজের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা। তাঁর সংবেদনশীলতা, মমতা ও রাজনৈতিক আপসহীনতা তাঁকে সর্বভারতীয় রাজনীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) শেরে বাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বার্তায় ফজলুল হককে অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বিশিষ্ট নেতা হিসেবে স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি, কৃষি, অর্থনীতি ও কৃষকদের স্বার্থে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অবদান স্মরণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উন্নয়নে প্রয়াত নেতার অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। প্রস্তাবটি আজও ঐতিহাসিকদের মধ্যে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফলন।

তারেক রহমান কৃষকদের কল্যাণের প্রতি ফজলুল হকের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন এবং তাঁকে বাংলার কৃষকদের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের বন্ধু। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনীতি বাংলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দূরদর্শিতা এবং অন্তঃর্দৃষ্টির মাধ্যমে তিনি কৃষক সমাজের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোয় নিয়ে আসতে সক্ষম হন।

ফজলুল হক প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেরে বাংলার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক।

শেরে বাংলা ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামের মিঞা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর, যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং আইনসভার সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেও তাঁর অবদান ছিল। ১৯৪০ সালে তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি ২১ দফারও প্রণেতা ছিলেন।

আরবিএস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের অমর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের চেতনাকে চির অম্লান করে রাখতে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। একইভাবে আগামী দিনে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর...
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর