চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ ও নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঁশখালীর স্থানীয় উন্নয়ন ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণচাষীদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া সমুদ্র উপকূলে কলকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে কয়েক’শ মিল-কারখানা গড়ে তোলা হবে, যা ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে আলোকপাত করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলার ওপর জোর দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। যারা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায় এবং দেশের শান্তি নষ্ট করতে উদ্যত, তারা যেন সেই সুযোগ না পায়—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
জ্বালানি খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্গঠন করতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন। আগামী দশ বছর দেশে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহের রূপরেখা কী হবে, তা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
