দেশের চার কোটি ১০ লাখ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে সহায়তার লক্ষ্যে নতুন অর্থবছরের বাজেটে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের স্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।
সোমবার (১৫ জুন) ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল ট্রানজেকশন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ‘টাকা পে’ অ্যাপসের মাধ্যমে এই অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হবে।
‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে আলোচনা শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজের কাউকেই বাদ রেখে এই বাজেট করা হয়নি। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য নতুন অর্থবছরে ১৪ হাজার কোটির উপরে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়ম থেকে মুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক কোনো ব্যক্তি থাকবেন না। সম্পূর্ণ সরকারি কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে এটি বাস্তবায়ন করবেন।
ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা যাতে প্রকৃত হকদার ও দুস্থরা পান, তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সভায় উপস্থিত সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে প্রতি ছয় মাস পর পর একটি নিরপেক্ষ ‘তৃতীয় পক্ষ’ বা স্বাধীন সংস্থা দিয়ে পুরো কার্যক্রমটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
