২৬ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে বাস চলাচলের নতুন পদ্ধতি। এদিন কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর রুটে একটি মাত্র কোম্পানির আওতায় বাস চলবে। ঢাকার দুই মেয়রের প্রত্যাশা, পরীক্ষামূলক এই ধাপ সফল হলে পুরো রাজধানীতে বাস্তবায়ন হবে বাস রুট রেশনালাইজেশন।
বুড়িগঙ্গার ওপাড়ে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর। বহুল প্রতীক্ষিত কোম্পানি ভিত্তিক বাস সেবার শুরুটা হবে এই স্টপেজে। মোহাম্মদপুর, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ি হয়ে এর শেষটা হবে কাঁচপুর।
কয়েক দফা পেছানোর পর ২৬ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই রুটে চলবে ‘ঢাকা নগর পরিবহন’ এর বাস। মালিকানা ভিন্ন হলেও সব বাস চলবে একটি কোম্পানির অধীনে। বাসের সংখ্যা অনুপাতে লভ্যাংশ ভাগাভাগি করে নেবেন মালিকরা।
প্রাথমিকভাবে নগর পরিবহনের বহরে থাকবে ৫০টি বাস। যার ৩০টি বিআরটিসির দ্বিতল ও বাকিগুলো অন্য মালিকদের। এই রুটের সব বাস হবে সবুজ রঙের।
শুরুর দিন থেকেই ই-টিকেট সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। বিভিন্ন পয়েন্টে এরিমধ্যে তৈরি হয়েছে যাত্রী ছাউনি। ঢাকার দুই মেয়র বললেন, পরীক্ষামূলক চলাচল সফল হলে ধাপে ধাপে ঢাকার সব রুটেই এই পদ্ধতিতে বাস চলবে।

ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এর সমন্বয় যারা করছে তাদের বাকি রুটগুলো নিয়েও আলাপ করার জন্য ইতিমধ্যে বলা হয়েছে। এক মাসের মধ্যে আমরা আরেকটি মিটিং দেবো। যদি সফল হই তাহলে ওই মিটিংয়ে কি কি চ্যালেঞ্জ আছে তা পর্যালোচনা করবো।
ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, এটাকে পূর্ণাঙ্গ রূপে একশ বাসে উন্নিত করবো। যেখানে অন্য উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করবে। তাদের প্রথমে আমরা সম্মতিপত্র দেবে।
ঢাকা নগর পরিবহন চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নগরবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, এতে করে রাজধানীর গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলা কমে আসবে। একটি মান সম্মত বাস সার্ভিস পাবে নগরবাসী।
আরও পড়ুন: হালনাগাদ হচ্ছে সুরক্ষা অ্যাপ, বুস্টার ডোজের ম্যাসেজ শিগগিরই
একাত্তর/এসি
